Articles Comments

Headline

মাশরুম হচ্ছে কার্যকরী প্রকৃতির শেরা ঔষধ

মানুষ মাশরুমের ঔষধি গুণ সম্পর্কে জেনেছে আজ থেকে প্রায় ২ হাজার বছর আগে। নানা অসুখ নিরাময়ে তখন থেকে এর ব্যবহারও হয়ে আসছে। মাশরুমের গুণের কথা প্রথম জানা যায় খ্রিস্টজন্মের ২ হাজার ৮৩৪ বছর আগের চীনা ইতিহাসে। ভেষজ গুণ হিসেবে এর চর্বি ও কোলেস্টেরল কম থাকায় তা হৃদরোগ ও উচ্চ রক্তচাপের রোগীদের জন্য উপকারী। এছাড়া ডায়াবেটিস, ক্যান্সার, মেদভুঁড়ি, জন্ডিস, রক্তস্বল্পতা, চুল পাকা ইত্যাদি রোগ প্রতিরোধ করে। মাশরুম খেলে শরীরের বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে। তাতে শরীরের কর্মক্ষমতাও বৃদ্ধি পায়। বিস্তারিত জানতে: reishi_mushroom … Read entire article »

Latest

ডায়াবেটিস ও মুখের আলসার প্রতিরোধে ঋশি মাশরুম

মানবদেহে অগ্নাশয়ের আইলেটস অব ল্যাঙ্গারহ্যান্সের বিটা সেল থেকে ইনসুলিন নিঃসৃত হয়। ইনসুলিন কার্বোহাইড্রেট বা চিনিজাতীয় খাদ্যের বিপাক ক্রিয়ায় সহায়তা করে থাকে। কোন কারণে বিটা সেলের কার্যকারিতা কমে গেলে বা অগ্নাশয়ের কোন রোগে ইনসুলিন নিঃসরণ কমে যায় বা একেবারে বন্ধ হয়ে যেতে পারে তখন শর্করা বা চিনিজাতীয় খাদ্যের বিপাক ক্রিয়া ব্যাহত হয় এবং ক্রমান্বয়ে ডায়াবেটিস দেখা দেয়। ওষুধি গুণসম্পন্ন গ্যানোডার্মা লুসিডাম প্রজাতির লাল মাশরম্নম অগ্নাশয়ের আইলেটস অব ল্যাঙ্গারহ্যান্সের বিটা সেলের ক্যাপিলারি বা কৈশিক নালীর রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি করে। অগ্নাশয়ের ক্যাপিলারি বা কৈশিক নালীর ডায়ামিটার বা প্রশসত্মতা বাড়িয়ে দেয়। এভাবে গ্যানোডার্মা লুসিডাম প্রজাতির মাশরম্নম অগ্নাশয়ের স্বাভাবিক কার্যকারিতা চলমান রাখতে গুরম্নত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। ডায়াবেটিসের কারণে বা জটিলতায় মুখের অভ্যনত্মরে নানা ধরনের আলসার এবং অন্যান্য সমস্যা দেখা … Read entire article »

মহা ঔষধ ঋষি মাশরুম

ঋষি মাশরুমের মধ্যে যে ভেষজ বা ঔষধি গুন আছে তা ২০০০ বছরের ও বেশি সময় ধরে মানবজাতির কাছে পরিচিত যা প্রথম নথিবন্ধ হয় ২৮৩৪ খৃষ্টপূর্বে সেন নং চীনা ইতিহাসে। ভেষজ গুণ হিসেবে মাশরুমে চর্বি ও কোলেস্টেরল কম থাকায় হৃদরোগ ও উচ্চ রক্তচাপের রোগীদের জন্য উপকারী। এছাড়া ডায়াবেটিস, ক্যান্সার, মেদভুঁড়ি, জন্ডিস, রক্তস্বল্পতা, চুল পাকা ইত্যাদি রোগ প্রতিরোধ করে। মাশরুম খেলে বিভিন্ন রোগের প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে। শরীরকে সঠিক করে, যাতে শরীর নিজস্ব ক্ষমতায় রোগের বিরুদ্ধে লড়তে পারে। ঋষি মাশরুম সকল উপযোগিতার রাজা। বিষক্রিয়া মুক্ত এবং দীর্ঘমেয়াদী ব্যবহারে ও পার্শ্ব প্রতিক্রিয়াহীন। শরীরের কার্য ক্ষমতাকে সর্ব্বোচ্চ পর্যায়ে স্বাভাবিক রাখে। বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুন: reishi_mushroom … Read entire article »

পরিবারের পুষ্টি চাহিদা পুরনে প্রতিদিন মাশরুম খান

সুস্থ্য মানুষের প্রতিদিন ২০০-৫০০ গ্রাম সবজি গ্রহণ অপরিহার্য্য। উন্নত বিশ্বের প্রতিজন প্রতিদিন ৪০০-৫০০ গ্রাম সবজি গ্রহণ করে; সেক্ষেত্রে বাংলাদেশে প্রতিদিন প্রতিজনে গড়ে মাত্র ৪০-৫০ গ্রাম (আলু বাদে) সবজি গ্রহণ করার কারণে এদেশের ৮৭% লোক অপুষ্টিতে ভূগছে। এক্ষেত্রে গর্ভবতী মা, প্রসূতি মা ও শিশুরাই প্রধান। বর্তমান বিশ্বে প্রায় ১০০ টি দেশে মাশরুম চাষ হয়। যার ৭০% উৎপন্ন হচ্ছে জনসমুদ্র চীনে। উৎপাদিত মাশরুমের (৮৫%) ব্যবহূত হয় যুক্তরাষ্ট্র ৩০%, জার্মানী ১৭%, যুক্তরাজ্য ১১%, ফ্যান্স ১১%, ইটালী ১০%, কানাডা ৬%। এছাড়া থাইল্যান্ড, জাপান, মালেয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া, ভারত প্রভৃতি দেশে খাদ্য তালিকায় এবং দৈনন্দিন খাদ্য টেবিলে অপরিহার্য্য সবজি হিসেবে ইতিমধ্যে স্থান দখল করেছে। ১৯৭৯ সালে কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগ থাইল্যান্ড থেকে কিছু মাশরুম বীজ এনে আসাদ গেট নার্সারীতে প্রথম পরীক্ষামূলক ভাবে চাষ … Read entire article »

মহিলাদের কর্মসংস্থান হিসাবে মাশরুম

মহিলাদের কর্মসংস্থান : মহিলাদের কর্মসংস্থানের জন্য মাশরুম চাষ অনন্য। গৃহবধূ থেকে শুরু করে চাকরিজীবীসহ সব শ্রেণী ও বয়সের মহিলারা পারিবারিক সব কাজকর্ম সেরে, সন্তান লালন পালন করে, পর্দা রক্ষা করে, মাশরুম চাষ করতে পারেন এবং সংসারের জন্য কিছু বাড়তি আয় করতে পারেন। মাশরুম হলো একটি অসবুজ সবজি বা ব্যাসিডিওমাইসিটিস বা অ্যাসকোমাইসিটিস শ্রেণীর ছত্রাকের খাবার উপযোগী ফলনৱ অঙ্গ (Fruiting)। বাংলাদেশে এ ফসলটি অপ্রচরিত ও নতুন হলেও আসলে এটি অতি পুরাতন ফসল। পবিত্র কুরআন শরিফের সূরা আল বাকারায় ৫৭নং আয়াতে উৎকৃষ্ট ও মর্যাদাপূর্ণ খাবার হিসেবে যে মান্নার কথা উল্লেখ রয়েছে মাশরুম আসলে সেই মান্না। ঋকবেদে উল্লিখিত সোমরস যা দেবতার উদ্দেশ্যে উৎসর্গ করা হতো তা ছিল আসলে মাশরুমের নির্যাস। প্রাচীনকালে গ্রিস, রোম ও চীনে মাশরুম ব্যবহারের বহু নিদর্শন … Read entire article »

মাশরুম চাষ

আমাদের দেশের গ্রামাঞ্চলে বসতবাড়ির আনাচে-কানাচে ছায়াযুক্ত স্যাঁতসেঁতে জায়গায় কিংবা স্তূপীকৃত গোবর রাখার স্থানে ছাতার আকৃতির সাদা রংয়ের এক ধরনের ছত্রাক জন্মাতে দেখা যায়। একে আমরা ব্যাঙের ছাতা বলে অভিহিত করে থাকি। আগাছার মতো যত্রতত্র গজিয়ে ওঠা এসব ছত্রাক খাবার উপযোগী নয়। অনুরূপ দেখতে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে চাষের মাধ্যমে যে ব্যাঙের ছাতা উত্পাদিত হয়, তা অত্যন্ত পুষ্টিকর এবং বিশ্বে সবজি হিসেবে অত্যন্ত জনপ্রিয়। এই ব্যাঙের ছাতাকে ইংরেজিতে বলা হয় ‘মাশরুম’। মাশরুমের চাষে এবং এর ব্যবহার আমাদের দেশে তেমন প্রসার ঘটেনি। এখন পর্যন্ত আমাদের দেশে শুধু চায়নিজ রেস্তোরাঁগুলোয় মাশরুম স্যুপ একটি উপাদেয় খাবার হিসেবে পরিবেশন করা হয়। তবে পৃথিবীর বহু দেশে স্যুপ ছাড়াও এটা অন্যান্য সবজির মতো খাবার হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে থাকে। মাশরুম একদিকে যেমন অত্যন্ত কম সময়ে … Read entire article »

মাশরুম চাষ করে ঘরে বসে আয় করুন

ঘরের তাক বা যেকোনো সমান জায়গায় কম আলোয় মাশরুম চাষ করা যায়। বীজ বোনার পাঁচ-সাত দিনের মধ্যেই ফলন। আট থেকে দশ হাজার বীজ থেকে দৈনিক ১৫-১৮ কেজি মাশরুম পাওয়া যায়। ১০০ গ্রাম কাঁচা মাশরুম ২০-২৬ টাকা, শুকনা ১৭০-১৮৫ টাকা এবং গুঁড়া ১৭০-১৮৫ টাকা বিক্রি করা যায়। তাই বাড়তি আয়ের মাধ্যম হিসেবে বেছে নিতে পারেন মাশরুম চাষ। বিস্তারিত জানাচ্ছেন ফরহাদ হোসেন একসময় মাশরুমকে ব্যাঙের ছাতা বলে কত হাসাহাসিই না করেছি আমরা। সেই মাশরুম আজ হয়ে গেছে অর্থকরী সবজি। মাশরুম হলো নিম্নশ্রেণীর উদ্ভিদের অন্তর্গত একধরনের ছত্রাক। পৃথিবীর সর্বত্র এই ছত্রাক সবজি হিসেবে খাওয়া হয়। গ্রিক, রোমান ও চীনারা মাশরুমকে দেবতার খাবার হিসেবে মনে করেন। প্রাচীন দেব-দেবীদের এটি দিয়ে অর্ঘ্য বা পুজো দেওয়া হতো। এমনকি রাজা-মহারাজাদেরও মাশরুম উপহার হিসেবে পাঠানো … Read entire article »